জ্ঞানেশ কুমার না থাকলে মোদী প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না: রাহুল গান্ধী

0

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারকে লক্ষ্য করে তীব্র আক্রমণ করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি অভিযোগ করেছেন, ভোট চুরির মাধ্যমে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তার দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না থাকলে নরেন্দ্র মোদী ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারতেন না।

দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, এটি সাধারণ কোনো চুরি নয়। দোকান থেকে কেউ কিছু চুরি করলে তাকে চুরি বলা হয়। কিন্তু এখানে প্রতিটি মানুষের কণ্ঠস্বর চুরি করা হচ্ছে। আইনের ভাষায় একে বিরলতম অপরাধ বলা হয়। এটি রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।

সমাবেশে উপস্থিত বিরোধী জোটের নেতাদের এবং সাধারণ মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাহুল বলেন, তারা নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহকে যে বার্তা দিতে চেয়েছিলেন, তা পৌঁছে গেছে।

তিনি বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক দলের কণ্ঠস্বর নয়। এটি ভারতের তরুণ, কৃষক ও সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর। তারা বলছেন, দেশে গণতন্ত্র ধ্বংস হতে দেওয়া হবে না। আপনারা নিজেদের অনেক বড় ভাবতে পারেন, আপনাদের অর্থ থাকতে পারে। কিন্তু আপনারা সংবিধানের চেয়ে বড় নন। সংবিধান আপনাদের সবার ঊর্ধ্বে।

এর আগে সমাবেশে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, ভোট চুরির প্রতিবাদে এই সমাবেশ ঐতিহাসিক হয়ে থাকবে। তার অভিযোগ, অমিত শাহ ও নরেন্দ্র মোদী নারী, তরুণ ও দলিতদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

খাড়গে বলেন, জ্ঞানেশ কুমার পদ ছাড়ার আগ পর্যন্ত আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। তিনি আত্মগোপন করলেও আমরা তাকে খুঁজে বের করব। এটাই আমাদের জনগণ, নারী ও তরুণদের শক্তি।

সমাবেশে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) নেতা তেজস্বী যাদবও জ্ঞানেশ কুমারকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, সাধারণত এই ময়দানে রামায়ণ পাঠ হয়। কিন্তু আজ এখানে মহাভারতের লড়াই চলছে। শকুনি যদি তার চাল চালেন, তাহলে এই ময়দানকে কুরুক্ষেত্রে পরিণত করতে হবে।

জ্ঞানেশ কুমারকে নরেন্দ্র মোদীর ‘ক্রীড়নক’ আখ্যা দিয়ে তেজস্বী বলেন, এই জ্ঞানু (জ্ঞানেশ কুমার) মোদীর হাতের পুতুল।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.