উপকারভোগীর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ৩১০ জন উপকারভোগীর মাঝে এ কার্ড বিতরণ করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, নাসির উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গল উপজেলার নির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫ জন এবং রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫ জন উপকারভোগীকে পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়। ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীরা ঘরে বসেই পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে এই অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই উপকারভোগীর টাকা মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে সরাসরি ভাতার অর্থ পৌঁছে যায়।
শ্রীমঙ্গল উপজেলার নির্জাপুর ইউনিয়নের ফ্যামিলি কার্ডপ্রাপ্ত উপকারভোগী রেসনা বেগম, নাসিমা বেগম ও লাবলী আক্তার বলেন, ‘টেলিভিশন ও মানুষের মুখে মুখে শুনেছি ফ্যামিলি কার্ডের কথা। এই কার্ড এতো অল্প সময়ে আমার মতো গরিব মানুষ পেয়ে যাবো, তা কখনো ভাবতেই পারিনি। প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হবে। এই টাকা আমাদের কাছে অনেক টাকার সমান। পরিবারের খরচ চালাতে আমাদের অনেক উপকার হবে।’
মঞ্চে ১৫৫ জন নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি বিশেষ সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক অনুদান, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় দক্ষতা প্রশিক্ষণ অনুদান, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের উন্নয়নে এককালীন আর্থিক অনুদান, নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক অনুদান, চা শ্রমিকদের জন্য অনুদানের চেক ১২০ জন উপকারভোগীর মধ্যে বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।