সীমান্তবর্তী এলাকায় কোনো পশুর হাটের ইজারা দেওয়া হবে না: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

0

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তবর্তী এলাকায় কোনো পশুর হাটের ইজারা দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

অবৈধভাবে পশু প্রবেশ ঠেকাতে এবং দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

রোববার (৩ মে) সচিবালয়ের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত আসন্ন ঈদুল আযহা উদযাপন উপলক্ষে কোরবানির পশুর চাহিদা নিরূপণ, সরবরাহ এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোরবানির পশুর অবাধ চলাচল ও পরিবহন নিশ্চিতকল্পে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সচিব জনাব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান

মন্ত্রী বলেন, অতীতে সীমান্তবর্তী কিছু হাটে ব্যাপক পশু বেচাকেনা হতো, যার বড় একটি অংশ অবৈধভাবে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আসত।

এতে দেশীয় খামারিরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতেন। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এবার সীমান্তঘেঁষা হাটগুলোর ইজারা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার চায় দেশীয়ভাবে উৎপাদিত পশুর মাধ্যমে কোরবানির চাহিদা পূরণ হোক। এ বছর দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং চাহিদার তুলনায় উদ্বৃত্তও থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কোরবানির পশুর বাজার ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, সারা দেশে ৩৬০০টির বেশি হাট বসবে এবং এসব হাটে ভেটেরিনারি সেবা নিশ্চিত করা হবে। কোনও পশু অসুস্থ হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকবে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হাট এলাকায় কঠোর নজরদারি করবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে পশু পরিবহনের সময় ব্যবসায়ীদের যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হতে না হয়, সে বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, অনলাইনে পশু কেনাবেচার প্রবণতা বাড়ছে। এ ধরনের বিক্রির ক্ষেত্রে কোনো খাজনা বা হাসিল আরোপ করা হবে না, যাতে ছোট খামারিরা সহজেই তাদের পশু বিক্রি করতে পারেন।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সরকারের নেওয়া এসব পদক্ষেপের ফলে এবারের কোরবানির পশুর বাজার সুশৃঙ্খল থাকবে এবং দেশীয় খামারিরা ন্যায্যমূল্য পাবেন।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.