বর্তমানে বাজারে নতুন ডিজাইন ও বৈশিষ্ট্যের জাল নোট পাওয়া গেলেও তা অতি নগণ্য ও নিম্নমানের বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
যে কোনো নতুন ডিজাইন ও সিরিজের নোট বাজারে প্রচলন করা হলে জনসাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বক্তব্যের পর নতুন নোট বিষয়ে অর্থমন্ত্রী এ বক্তব্য দেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, স্থাপত্য শীর্ষ নতুন ডিজাইন ও বৈশিষ্ট্যের নোটসমূহের ডিজাইন বাংলাদেশের স্বনামধন্য চিত্রশিল্পীদের অন্তর্ভুক্ত করে গঠিত। বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রা ও নোট ডিজাইন অ্যাডভাইজরি কমিটির সুপারিশ করা হয়েছে নতুন নোটে। যা বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ এর ধারা ২৭ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদ ও সরকার থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে কমিটির সুপারিশকৃত ডিজাইনের অরিজিনেশন ওয়ার্কস বিভিন্ন ধরনের প্লেট আন্তর্জাতিক বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রস্তুত করা হয়েছে। নতুন ডিজাইন ও বৈশিষ্ট্যের নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য পূর্বের সিরিজের তুলনায় বাড়ানো হয়েছে, যা সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যথাসময়ে জনগণকে অবহিত করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে জনগণের জ্ঞাতার্থে প্রদর্শিত রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতি অর্থবছরে নোটস ইন সার্কুলেশনের সঙ্গে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার সমন্বয় করা হয়। বাজার থেকে অপ্রচলনযোগ্য নোট অপসারণের হার বিবেচনায় নিয়ে দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন বাংলাদেশ লিমিটেডকে নোট মুদ্রণের কার্যাদেশ দিয়ে থাকে।