আরও ৩ শতাংশ বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা সংলাপ ও শান্তিচুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও এক দফা বেড়েছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। এক প্রতিবেদনে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গতকাল সোমবারের তুলনায় আজ মঙ্গলবার অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ৩ শতাংশ।
এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড তেল বিক্রি হচ্ছে ১১১ দশমিক ২২ ডলারে, যা গতকাল সোমবারের চেয়ে ২ দশমিক ৯৯ ডলার এবং শতকরা হিসেবে ২ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেশি।
দাম বেড়েছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের অপর বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটেরও (ডব্লিউটিআই)। মঙ্গলবার প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআিই বিক্রি হচ্ছে ৯৮ দশমিক ৯১ ডলারে, যা আগের দিন সোমবারের তুলনায় ২ দশমিক ৫৪ ডলার এবং শতকরা হিসেবে ২ দশমকি ৬৪ শতাংশ বেশি।
এদিকে তেলের দাম ১১০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়াকে বাজারের জন্য ‘বিপদ সংকেত’ বলে মন্তব্য করেছেন জ্বালানি পণ্যের বাজার পর্যবেক্ষণ সংস্থা রাইস্ট্যাড এনার্জির হোর্হে লিওনের বিশ্লেষক হোর্হে লিওন।
“ব্যারেল প্রতি ১১০ ডলারের বেশি তেলের দাম এমন একটি বাজারকে আমাদের সামনে প্রতিফলিত করে, যেখানে ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি বার বার তেলের মূল্য নির্ধারণ করছে। এটা বাজারের জন্য ভালো সংকেত নয়”, বলেছেন হোর্হে লিওন।
“শান্তি আলোচনা থমকে যাওয়া এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলা নিয়ে কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত থাকায়, ব্যবসায়ীরা বৈশ্বিক সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধমনীতে দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন ঘটার বিষয়টি বিবেচনা করছেন।”
রয়টার্সকে লিওন আরও বলেন, “এমনকি সবচেয়ে ভালো পরিস্থিতিতেও, যদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে একটি পক্ষপাতিত্বমূলক চুক্তি হয়— যা হরমুজ প্রণালির সংকটকে অমীমাংসিত করে রাখবে— সেক্ষেত্রে যুদ্ধ থামলেও তেলের বাজারে অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি থেকেই যাবে।”
সূত্র : রয়টার্স