অশুভ ‘ভিউ ব্যবসায়ীদের’ বিষাক্ত ছোবল থামাতে হবে

0

সরকার টাকা ছাপিয়ে দেশ চালাচ্ছে—সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আর এই তথ্যটি ব্যবহার করেন গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. আশিকুর রহমান।

গত ২৩ এপ্রিল তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করেন, ‘মার্চ মাসেই বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এটা হাইপাওয়ার মানি, ছাপানো টাকা।

অর্থাৎ এটার প্রভাবে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।’ একজন অর্থনীতিবিদের মুখ দিয়ে যখন এমন তথ্য প্রচারিত হয়, তখন তা স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হয়।

অথচ এটি চিলে কান নিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। প্রকৃত সত্য যাচাই না করেই একজন অর্থনীতিবিদের এ রকম মন্তব্যের প্রভাব ঠিকই বাজারে পড়ে।

বাধ্য হয়েই গভর্নরকে মুখ খুলতে হলো। ২৬ এপ্রিল বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জানালেন, টাকা ছাপানোর তথ্য সঠিক নয়। গত শনিবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় প্রকাশক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রীও বললেন, টাকা ছাপানোর খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

একটি গুজব ও অসত্য সংবাদ কিভাবে বিশ্বাসযোগ্যতা পায় তার একটি ক্লাসিক উদাহরণ হলো এই ঘটনা। এ রকম ঘটনা ঘটছে প্রতিদিন। আর সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুজব প্রচারের প্রধান হাতিয়ারে পরিণত হচ্ছে। সত্য প্রকাশের বদলে একটি চক্র সোশ্যাল মিডিয়াকে তাদের চাঁদাবাজি, মানুষের চরিত্রহনন, মিথ্যাচার, হিংস্রতা প্রচারের বড় কেন্দ্রে পরিণত করছে। মিথ্যা ও ভিত্তিহীন গুজব ছডিয়ে কেউ কেউ রাষ্ট্র ও সরকারকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে।

অনেকটাই যেন প্যারালাল সরকার হয়ে উঠছে এরা! যখন যাকে খুশি অপরাধী বানিয়ে দিচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ করে নিরপরাধ মানুষের বিচার করছে কিংবা শিকারে পরিণত করছে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিচ্ছে মব বাহিনী। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই চক্রটির দৌরাত্ম্য এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সরকারকে অভিযোগ প্রমাণের আগেই তাদের গ্রেপ্তার করতে বাধ্য করা হচ্ছে। বিচারকও ‘ভিউ ব্যবসায়ীদের’ কুৎসিত নোংরা আক্রমণের ভয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতে হিমশিম খাচ্ছেন। রাষ্ট্রের সর্বত্র এখন ভিউ ব্যবসায়ীদের আধিপত্য তৈরির চেষ্টা চলছে। এই চক্রটি সরকার ও জনগণকে রীতিমতো জিম্মি করেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সরকারের ভালো কাজও ট্রল করা হচ্ছে। এই গুজব ভাইরাল বাহিনী যেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। আইন ও বিচারের ঊর্ধ্বে!

সোশ্যাল মিডিয়ার সামাজিক দায়বদ্ধতার বালাই নেই! আছে ভিউ ও ভাইরাল ব্যবসা। যাচাই-বাছাই ছাড়াই চটকদার গুজব ও মিথ্যা ছড়িয়ে অনেকে অর্থ উপার্জনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করছেন। কেউ কেউ সমাজে ছড়িয়ে দিচ্ছেন হিংসা আর বিদ্বেষের আগুন।

এখন সোশ্যাল মিডিয়া হয়ে উঠেছে চাঁদাবাজির সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম। যে কারো চরিত্র হনন করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করা এখন যেন ডালভাত! ব্যবসায়ী থেকে নিরীহ মানুষ কেউ এই ধরনের ব্ল্যাকমেইল থেকে নিরাপদ নয়। এআই দিয়ে ছবি বানিয়ে বা অসত্য তথ্য দিয়ে ব্যবসায়ী কিংবা স্বনামধন্য ব্যক্তিদের কাছে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করা হচ্ছে। না দিলে শুরু হয়ে যায় চরিত্রহননের নোংরা খেলা। বিদেশে বসে দেশের আইন-কানুনকে তোয়াক্কা না করে এই ‘ভিউ ব্যবসায়ী’ চক্রটি যা মন চায় সোশ্যাল মিডিয়ায় বলছে। চাঁদা পেলে আবার কিছুদিন চুপ থাকে। আবারও সময় বুঝে চাঁদা চায়। এভাবেই তারা একটি সুস্থ সমাজে ‘অসুস্থ উৎপাত’ ছড়িয়ে দিয়ে চারপাশকে বিষাক্ত করে তুলছে।

অবস্থা এমন হয়েছে যে, ভিউ ব্যবসায়ীদের কাছে সত্য বন্দি হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষ আজ বিভ্রান্ত। ভাইরাল কোনো ইউটিউবার নিজের ব্যক্তিগত ক্ষোভ প্রকাশ করতে নিরীহ মানুষের জীবন বিপন্ন করে তুলছে। এই চক্রটি এখন খোদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়েও নানা অপপ্রচার ও ট্রল করছে। নিজেদের পছন্দ না হলে বা কারো হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে অবলীলায় মিথ্যা ও গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে। এটি এখন সরকারের জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সামাজিক মিডিয়া যেমন গণতন্ত্রের এক নতুন রূপ দিয়েছে, তেমনি এই মাধ্যমটিকে আজ রাজনৈতিক সহিংসতার ভার্চুয়াল ক্ষেত্রেও রূপান্তর করা হয়েছে। এখানে কেউ ভিন্নমত পোষণ করলেই তাকে ‘দালাল’, ‘দেশদ্রোহী’, ‘গুপ্তচর’ বলা হয়। তার ব্যক্তিগত জীবন হ্যাক করে অপমানজনক তথ্য ছড়ানো হয়। রাজনৈতিক বা ধর্মীয় অপবাদ দিয়ে সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার চেষ্টা হয়। নারী রাজনীতিকদের প্রতি কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়, যা সভ্য সমাজে কল্পনাও করা যায় না। এই প্রবণতা আজ বাংলাদেশকে এক ভয়াবহ জায়গায় নিয়ে গেছে, যেখানে আর যুক্তি নয়, আছে শুধু গালি দিয়ে ক্ষমতা দখলের প্রতিযোগিতা। ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স (সাবেক টুইটার), এমনকি সংবাদমাধ্যমের কমেন্ট সেকশনেও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি এমন ভাষা প্রয়োগ করা হচ্ছে, যা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হিংস্র করে তুলছে।

সামাজিক মিডিয়া রাজনীতিকে গণমানুষের কাছে নেওয়ার এক অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু এখন সেটি হয়ে উঠেছে একদল ‘অভদ্র লড়াকুর অস্বস্তিকর’ প্ল্যাটফর্ম, যেখানে যুক্তিপূর্ণ পোস্ট মানে ‘তুমি কোন দলে?’ দলনিরপেক্ষ চিন্তা মানে ‘তুমি সুবিধাবাদী’। ভিন্নমত মানে ‘তুমি শত্রু’। নীরবতা মানে ‘তুমি ভীতু’। এই চিত্র একটি অসুস্থ, বিষাক্ত রাজনীতিরই প্রতিফলন।

২০২৪-এর ৫ আগস্টের পর এই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে একদল উগ্রপন্থী ‘ভিউ ব্যবসায়ী’ দূর পরবাস থেকে বিপথগামী দুর্বৃত্ত-সন্ত্রাসীদের উসকে দিয়ে দেশের বিভিন্ন ভবন ও স্থাপনা ভাঙার বর্বরোচিত কর্মকাণ্ডে লেলিয়ে দেয়। তাদের এই প্রকাশ্য ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে উত্তেজিত জনতা বিভিন্ন স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়। অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, মাজার ধ্বংস করা হয় সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের উসকানিতে। অন্তর্বর্তী সরকার এসব ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ছিল নীরব। বরং অনেক ক্ষেত্রে সরকারের মৌন সমর্থন ছিল এসব বেআইনি কাজে।

মানব অ্যাকাউন্টের ছদ্মবেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের বিষাক্ত ছোবল, ভুয়া তথ্য ছড়ানো ও জনগণকে বিভ্রান্ত করাই যাদের প্রধান কাজ। তাদের মিথ্যা তথ্য বা গুজব এখন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আজ হানি ট্র্যাপ ও সংঘাত সৃষ্টির অন্ধকার কৌশলকে সহজ করে তুলেছে। হানি ট্র্যাপ হলো এমন একটি প্রলোভনমূলক কৌশল, যেখানে ভুয়া প্রোফাইল, রোমান্টিক বার্তা বা আকর্ষণীয় ছবি ব্যবহার করে কাউকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের ফাঁদে ফেলা হয়। পরে তার কাছ থেকে সংবেদনশীল তথ্য আদায়, আর্থিকভাবে ব্ল্যাকমেইল বা রাজনৈতিক চরিত্রহননের জন্য ব্যবহার করা হয়।

এতে শুধু অবাধ তথ্যপ্রবাহই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে না; বরং রাজনৈতিক সংস্কৃতি, সামাজিক সম্প্রীতি এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। এর ফলে গণতন্ত্রও পড়ছে হুমকির মুখে। বাংলাদেশে এটা এখন নিয়ন্ত্রণহীন মহামারির আকার ধারণ করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য সন্ত্রাস প্রতিরোধ করতে হলে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশ্বব্যাপী এই অপতথ্য বন্ধে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই এখন চেষ্টা চলছে কিভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ও মিথ্যা তথ্য নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, তাদের দায়িত্ব্বজ্ঞানহীন বেপরোয়া কাজকর্মের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা যায়। ইউটিউব দাবি করে, তাদের সাইটে কোনো আপত্তিকর কনটেন্ট তারা থাকতে দেয় না। কিন্তু বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে ফেসবুক বা ইউটিউবের এই নজরদারি অনেক কম। এ রকম হাজারো কনটেন্ট আছে, যেগুলো হিংসাত্মক, ভুয়া। তবু ফেসবুক বা ইউটিউব সেগুলো বন্ধ করেনি।
এ জন্য অনেক দেশ এখন আইন করেছে, যাতে এই কম্পানিগুলোকে আইনের আওতায় আনা যায়। সোশ্যাল মিডিয়া কম্পানিগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের জন্য সম্প্রতি ব্রিটিশ সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তাব করেছে। এর উদ্দেশ্য ক্ষতিকর কোনো কনটেন্ট কোনো সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ পেলে তার জন্য কম্পানির কর্মকর্তাদেরও যেন দায়ী করা যায়। ব্রিটিশ সরকারের ব্যবস্থায় নিয়ম ভঙ্গকারী সোশ্যাল মিডিয়া কম্পানির বিরুদ্ধে বিপুল অঙ্কের জরিমানা থেকে শুরু করে তাদের সেবা পুরোপুরি বন্ধ বা ব্লক করে দেওয়ার কথাও রয়েছে।

জার্মানিতে ২০১৮ সালের শুরু থেকে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপারে এক নতুন আইন কার্যকর হয়। যেসব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ২০ লাখের বেশি ব্যবহারকারী আছে, তারা সবাই এই আইনের আওতায় পড়বে। দেশটির এই নতুন আইনে বলা আছে, সোশ্যাল মিডিয়ার কোনো কনটেন্ট সম্পর্কে কোনো অভিযোগ আসার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা তদন্ত ও পর্যালোচনা করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া কম্পানিগুলো এর ফলে বাধ্য হচ্ছে ব্যবস্থা নিতে।

কেউ যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় আইনবিরোধী কোনো কনটেন্ট শেয়ার করে, তাহলে তাকে ৫০ লাখ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে। অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়া কম্পানিকে জরিমানা করা যাবে পাঁচ কোটি ইউরো পর্যন্ত। এই আইনের ফলে সেখানে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ও উসকানিমূলক পোস্ট উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর কনটেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বিবেচনা করছে। বিশেষ করে জঙ্গিবাদে উৎসাহ জোগায় এমন ভিডিও দিলেই ব্যবস্থা। ইউরোপীয় ইউনিয়নে জেনারেল ডেটা প্রোটেকশন রেগুলেশন (জিডিপিআর) নামে এক নতুন আইন ২০১৮ সালেই কার্যকর হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় এক কঠোর আইন চালু করা হয়েছে, যাতে সহিংস ও জঘন্য কোনো কিছু অনলাইনে শেয়ার করা না যায়। এই আইন লঙ্ঘন করলে সোশ্যাল মিডিয়া কম্পানির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ এনে জেল-জরিমানার বিধানও রাখা হয়েছে।
জরিমানার অঙ্কটি বেশ বড়। অর্থাৎ ওই কম্পানির গ্লোবাল টার্নওভারের ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে। রাশিয়ায় ২০১৫ সালের ডেটা আইন অনুযায়ী, সব সোশ্যাল মিডিয়া কম্পানিকেই রুশ নাগরিকদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য রাশিয়াতেই কোনো সার্ভারে সংরক্ষণ করতে হয়।

টুইটার, গুগল বা হোয়াটসঅ্যাপ চীনে নিষিদ্ধ। তবে সেখানে একই ধরনের কিছু চীনা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আছে; যেমন—ওয়াইবো, বাইডু, উইচ্যাট। চীনে কিছু ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক আছে। কিন্তু চীনা কর্তৃপক্ষ সেগুলোর ব্যবহারও সীমিত করে দিতে সক্ষম হয়েছে।

কিন্তু বাংলাদেশে দানবে পরিণত হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। এরা রাষ্ট্র ও সরকারকে চ্যালেঞ্জ করছে। তারা ঠিকমতো কর দেয় না বলেও অভিযোগ রয়েছে। তাই সোশ্যাল মিডিয়াকে বিদেশি আইন পর্যালোচনা করে নাগরিকবান্ধব আইনের আওতায় আনার এখনই সময়। একই সঙ্গে যেসব ‘ভিউ ব্যবসায়ী’ এসব মাধ্যমে গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মানুষ, সমাজ ও দেশের ক্ষতি করে, রাষ্ট্র ও স্থাপনা বিনষ্ট করে, সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিদের চরিত্র হনন করে—তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান থাকতে হবে। এই মাধ্যম ব্যবহার করে কেউ যাতে চাঁদাবাজি করতে না পারে এবং রাষ্ট্রের শীর্ষ নির্বাহী থেকে যেকোনো স্তরের কর্মকর্তাদের নামে গুজব ছড়াতে না পারে সে জন্য জড়িতদের কঠিন শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এ ব্যপারে প্রধানমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রীর দিক থেকে কড়া নির্দেশনা আসা প্রয়োজন। তা না হলে এক পর্যায়ে ওই অশুভ চক্রটি বাংলাদেশের অস্তিত্বই হুমকির মুখে ফেলে দেবে।

কালের কণ্ঠের সৌজন্যে

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.