ঢাকা-টোকিও রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
আগামী জুন মাস থেকে ঢাকা-টোকিও রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। একই সঙ্গে ১৪টি বিমান কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান কোম্পানি বোয়িংয়ের সঙ্গে চলতি মাসের (এপ্রিল) মধ্যেই চুক্তি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী একথা বলেন।
তিনি বলেন, ঢাকা-টোকিও রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। পূর্বে চালু থাকা নারিতা-ঢাকা রুটটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, যদিও এটি একটি লাভজনক রুট হিসেবে বিবেচিত ছিল।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বন্ধের পেছনের কারণগুলো আর বিদ্যমান নেই। এ প্রেক্ষাপটে সরকার পুনরায় ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। প্রাথমিকভাবে জুন মাস থেকেই এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হবে এবং চাহিদা ও লাভজনকতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়েও চিন্তা করা হচ্ছে।
চলতি মৌসুমে হজযাত্রী রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বহরে নতুন বিমান যুক্ত করতে সরকার এরইমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ১৪টি নতুন বিমান কেনার পরিকল্পনা রয়েছে, যা মার্কিন নির্মাতা বোয়িং থেকে কেনা হতে পারে। এ সংক্রান্ত চুক্তি আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ইউরোপীয় নির্মাতা এয়ারবাসের সঙ্গেও আলোচনা চলছে জানিয়ে বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাতে ভবিষ্যতে মিশ্র বহর গড়ে তোলা যায়। এছাড়া স্বল্পমেয়াদে বহর বাড়াতে লিজের মাধ্যমে দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে নতুন বিমান যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।