পেনলেস-পেপার লেস এডুকেশনে আমাদের আসতেই হবে এবং সেইদিকে আমরা যাচ্ছি: শিক্ষামন্ত্রী

0

পেনলেস, পেপারলেস এডুকেশনে আমাদের আসতেই হবে এবং সেইদিকে আমরা যাচ্ছি বলে উল্লেখ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল নগরের সার্কিট হাউজে শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, করোনার সময় আমরা অনলাইন এডুকেশনের প্র্যাকটিস শুরু করেছিলাম, কিন্তু সেটি প্রশিক্ষিত যেমন ছিল না, তেমনি আমরা প্রস্তুতও ছিলাম না। সে সময়ে সবকিছু হঠাৎ করে হয়েছে এবং আমরা সেটার মুখোমুখি সম্পূর্ণ নতুনভাবে হয়েছিলাম।

যে কারণে আমরা উপকার না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।
মন্ত্রী আরও বলেন, আজকের অবস্থানে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা হচ্ছে বিশ্বমানের, সেখানে আমাদের অবশ্যই ডিজিটালি যেতে হবে।

পেনলেস, পেপারলেস এডুকেশনে আমাদের আসতেই হবে এবং সেইদিকে আমরা যাচ্ছি। আপনারা কেউ ভাববেন না, আজ সংসদে আমরা বসে বসে পেপার দেখে কাজ করছি, কিন্তু ৫ বছর পরে সেটা হবে।

তখন প্রতিটি টেবিলে একটি ডেস্কটপ থাকবে, যেখানে নোটিশও আসবে। আর এভাবেই সবকিছুর চেঞ্জ হবে।

আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আমাদের বাচ্চাদের ডিজিটাইজেশন করতে হবে, সেটা আমাদের ভাবনায় থাকতে হবে। আমরা করোনার মতো নয়, তার থেকে অনেক এগিয়ে গিয়েছি। আমাদের ১৮০ দিনের প্রোগ্রামে ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুমের কার্যক্রম শুরু হয়েছে পর্যায়ক্রমে। মেট্রোপলিটনের এটা অনেক এগিয়ে গেছে। মেট্রোপলিটনের অভিভাবকরা অনেক সচেতন, স্কুলের শিক্ষকদের পাশাপাশি তারা একজন বাচ্চার জন্য তিনজন শিক্ষক প্রাইভেটলি দিয়ে থাকেন।

তিনি বলেন, আমরা প্রস্তাব দিতে চাচ্ছিলাম, একদিন স্কুলে ক্লাস হবে, আরেকদিন বাসায় অনলাইনে হবে। আস্তে আস্তে তারা খাপ খাইয়ে নেবে, আর একই সময়ে আমাদের কিছুটা কৃচ্ছ্রতা সাধন তেলের ব্যাপারে করতে পারবো। যা নিয়ে আমাদের আগামী ক্যাবিনেটে আলোচনা হবে। ইতোমধ্যে আমি যেখানে যাচ্ছি সেখানে এ নিয়ে মতামত শোনার চেষ্টা করছি, তবে এখন পর্যন্ত অভিভাবকদের যে ট্যাবু, তাতে তারা মনে করে কোনোভাবেই অনলাইনে যাওয়া যাবে না।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.