হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের মুক্তি নিয়ে আলোচনায় দোহায় প্রতিনিধিদল পাঠাবে ইসরাইল
যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত মধ্যস্থতাকারীদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে ইসরাইল সোমবার (১১ মার্চ) দোহায় একটি প্রতিনিধিদল পাঠাবে, যার লক্ষ্য হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের মুক্তি নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া। শনিবার (৯ মার্চ) ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর (পিএমও) এ ঘোষণা দেয়।
এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে জেরুসালেম পোস্ট।
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন শিন বেতের এক শীর্ষ কর্মকর্তা, যিনি সংস্থাটির প্রধান রোনেন বার-এর সাবেক উপপ্রধান।
দলে থাকবেন ইসরাইলের জিম্মি ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের সমন্বয়কারী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) গাল হির্শ, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর কূটনৈতিক উপদেষ্টা ওফির ফাল্ক, এবং মোসাদ ও আইডিএফ-এর বিশেষজ্ঞ দল।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ‘গুজব’ উড়িয়ে দিয়ে বলেছে, রমজানে কোনো সাময়িক যুদ্ধবিরতি হবে না।
গত সাত দিন ধরে কোনো ধরনের ত্রাণ প্রবেশ করতে দেয়নি ইসরাইল। গাজায় দ্রুত চিকিৎসা সামগ্রী প্রবেশের অনুমতি না দিলে শিশুরা মারা যাবে বলে সতর্ক করেছেন ইউনিসেফের শিশু সংস্থার যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ রোজালিয়া বোলেন। শনিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
এক মাসের ব্যবধানে আবার দোহায় ইসরাইলি দল
এর আগে ঠিক এক মাস আগে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের পরপরই দোহায় একটি প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছিল ইসরাইল।
হামাসকে ট্রাম্পের ‘শেষ সতর্কবার্তা’
গত বুধবার (৬ মার্চ) ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হামাসের উদ্দেশ্যে একটি ‘চূড়ান্ত সতর্কবার্তা’ দেন।
তিনি লিখেন, ‘হামাসের কোনো সদস্য নিরাপদ থাকবে না, যদি তোমরা আমার কথা না মানো।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘শালোম হামাস’ মানে হ্যালো এবং বিদায়—তোমাদের যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে।’
তিনি হামাসের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তা দেন: ‘জিম্মিদের সবাইকে এখনই মুক্তি দাও, দেরি নয়। তোমরা যারা হত্যা করেছ, তাদের মৃতদেহ ফেরত দাও। নইলে, এটা তোমাদের জন্য শেষ হয়ে যাবে।’