নগরবাসীকে কোরবানি দেওয়া পশুর বর্জ্য নালা-নর্দমায় না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার আহ্বান
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানি দেওয়া পশুর বর্জ্য নালা-নর্দমায় না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে রাখার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম।
সোমবার (২৫ মে) জাতীয় ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
এসময় জানানো হয়, কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণের লক্ষ্যে ডিএসসিসি সুসংগঠিত কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। ঈদের দিন দুপুর দেড়টায় কলাবাগান এসটিএস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাতুয়াইল ভাগাড়ে বর্জ্য পরিবহন শুরু হবে। লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে যে, প্রথম দিনের বর্জ্য পরবর্তী আট ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ রাত সাড়ে ৯টার মধ্যেই অপসারণ করা হবে।
এ বছর তিনদিনে ঢাকা দক্ষিণে মোট ৩৩ হাজার ৯৪২ টন বর্জ্য উৎপন্ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তা অপসারণের বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পাদনে মোট ১৩ হাজার ৪৫৩ জনবল এবং দুই হাজার ১১৭টি বিভিন্ন ধরনের যান ও যন্ত্রপাতি নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ৭৫টি ওয়ার্ডে ৪৬ টন ব্লিচিং পাউডার, ২১০ গ্যালন স্যাভলন এবং এক লাখ ৪০ হাজার জৈবপচনশীল ব্যাগ বিতরণ করা হচ্ছে।
কোরবানির হাটের কার্যক্রম এবং বর্জ্য অপসারণ ডিএসসিসির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রতিটি হাটে আলাদা তদারকি টিম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মেডিকেল টিম নিয়োজিত থাকবে।
পরিচ্ছন্ন শহর নিশ্চিত করতে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে নগরবাসীকে নির্ধারিত স্থানেই কোরবানি ও পশুর বর্জ্য ব্যাগে ভরে নির্দিষ্ট স্থানে রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া, কোরবানি পরবর্তী স্থানটি পানি দিয়ে ধুয়ে জীবাণুনাশক (ব্লিচিং পাউডার বা স্যাভলন) ছিটিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।