সুরঞ্জিত হত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে হাজিরা দিলেন আরিফ-গৌছ-বাবর

0

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় সিলেটের আদালতে হাজিরা দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সংসদের সরকারদলীয় হুইপ জি কে গৌছ এবং সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর।

সোমবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকারের আদালতে হাজির হয়ে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন তারা।

একইসঙ্গে মামলাটি মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেন এবং মামলা থেকে অব্যাহতি চান।

মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবী এটিএম ফয়েজ জানান, রায় ঘোষণার আগে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের পরীক্ষা করা হয়।

এতে আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর, জি কে গৌছসহ অন্য আসামিরা সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন এবং নির্দোষ দাবি করেন।

আদালতে নিজের বক্তব্য উপস্থাপনকালে সংসদের হুইপ জি কে গৌছ বলেন, এই মামলার কারণে তিনি ২৬ মাস নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

কেবল বিএনপি করার কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত তাকে আসামি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি মামলার বাদীর শাস্তি দাবি করেন।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি আবুল হোসেন বলেন, আসামি পরীক্ষা শেষে আদালত আগামী ২১ এপ্রিল যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে আরিফুল হক চৌধুরীসহ অন্য আসামিরা আদালত চত্বরে উপস্থিত হন।

এ সময় বিপুল সংখ্যক আইনজীবী ও দলীয় নেতাকর্মী তাদের ঘিরে রাখেন। মামলার শুনানি ঘিরে আদালতের নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়। শুনানিতে সিলেট জেলা পিপি আশিক উদ্দিন, মহানগর পিপি বদরুল আলম চৌধুরীসহ অনেকে অংশ নেন।

২০০৪ সালের ২১ জুন সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জের দিরাইবাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে।

ওই ঘটনায় দিরাই থানার এসআই হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। পরে ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর ওই ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, তৎকালীন সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র জি কে গৌছসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় ১২৩ জন সাক্ষী রয়েছেন।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.