জুলাই আন্দোলনের ক্যাপ্টেন তারেক রহমান: মীর শাহে আলম
বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের ক্যাপ্টেন তারেক রহমান। আমরা কারও কাছে ট্রফি আনতে যাইনি। তারেক রহমানের কাছে লন্ডনে গিয়ে ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে এসেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় দাঁড়িয়ে মীর শাহে আলম এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় শাহে আলম বলেন, এনসিপির এক নেতা বাইরে বক্তৃতায় বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা খেলেছে আর ট্রফি বিএনপি নিয়ে বসে আছে। আমি বলতে চাই— জুলাই আন্দোলন ছাত্র-জনতার সঙ্গে আমরা সবাই ছিলাম, ট্রফি আমরা কারও কাছে আনতে যাইনি। ক্যাপ্টেন কে? অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. ইউনূস লন্ডনে গিয়ে আমাদের ক্যাপ্টেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে এসেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, এতেই প্রমাণিত হয় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের নেতৃত্বের মূল ভূমিকা কোন দলের ছিল এবং কোন নেতার ছিল। আমরা সবাই আন্দোলন করেছি এটি অস্বীকার করা সুযোগ নেই। কিন্তু ক্যাপ্টেন একজন থাকে যে ক্যাপ্টেনের কাছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান লন্ডনে গিয়ে আলোচনা করে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে এসেছেন বলেই এ দেশে একটি অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে এবং সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিরোধী দল এবং আমরা আজ একটি ঐতিহাসিক সংসদে এসে উপস্থিত হতে পেরেছি।
শাহে আলম বলেন, ‘রাষ্ট্রপতিকে আমি ধন্যবাদ এই কারণে দিতে চাই; কারণ তাকে নির্বাচিত করেছিল আওয়ামী লীগ। বিরোধী বন্ধুরা এই রাষ্ট্রপতির মুখ দিয়ে এই রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এই সংসদে আমরা বলিয়েছি মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।’
শাহে আলম বলেন, এই রাষ্ট্রপতির ভাষণের মাধ্যমে আমরা বলিয়েছি গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এই রাষ্ট্রপতি আওয়ামী লীগের দ্বারা নির্বাচিত তিনি বক্তব্য বলেছেন, আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট, আওয়ামী লীগ স্বৈরাচার, আওয়ামী লীগ ভোট চোর। এই কথাগুলো রাষ্ট্রপতি এই সংসদে যখন বলেছে এই কৃতিত্ব বিএনপির এবং সংসদ নেতা তারেক রহমানের।
সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে মীর শাহে আলম বলেন, এই সংসদে দাঁড়িয়ে বিএনপির অনেক কর্মসূচি উপস্থাপন করা হয়েছে। যেমন ফ্যামিলি কার্ড। এরই মধ্যেই এই ফ্যামিলি কার্ড প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করে সারাদেশের মধ্যে আলোচনায় চলে এসছেন। রাষ্ট্রপতি এই সংসদে দাঁড়িয়ে কৃষক কার্ডের ব্যাপারে উপস্থাপন করেছেন এবং এই কৃষক কার্ড এরই মধ্যেই সারাদেশে কৃষকদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই কৃষক কার্ড প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে আগামী ১৪ তারিখ পহেলা বৈশাখ টাঙ্গাইল সদর থেকে আনুষ্ঠানিক শুরু হবে।