২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বন্ধ চার শতাধিক পোশাক কারখানা: বাণিজ্যমন্ত্রী
২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ৩ বছরে চার শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বন্ধ হওয়া এসব কারখানার মধ্যে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্য ২৮২টি এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সদস্য ১২৩টি কারখানা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্ন উত্তর পর্বে সংসদ সদস্য (এমপি) মো. রুহুল আমিনের এক প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিন প্রশ্ন রেখে বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে কতগুলো তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে, সেগুলোর নামের তালিকা কী; বন্ধ হবার কারণ কী এবং তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়নে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে কিনা, হলে তা কী?
জবাবে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ৩ বছরে বিজিএমইএ’র সদস্য ২৮২টি এবং বিকেএমইএ’র ১২৩টিসহ ৪০০ এর অধিক গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়েছে। বন্ধ কারখানার নামের তালিকা সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
কারখানাসমূহ বন্ধের প্রধান প্রধান কারণ
কারখানাসমূহ বন্ধের পেছনে বেশ কিছু কারণ উল্লেখ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্য প্রাচ্যে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক মন্দা পরিস্থিতি, দেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থ পাচারের কারণে ব্যাংকিং সেক্টরে তারল্য সংকট, ইউরোপের সঙ্গে ভারত এবং ভিয়েতনামের FTA চুক্তি এবং বিদেশী ক্রেতার নিজস্ব মনিটরিংয়ের সুবিধার্থে ছোট ও মাঝারি কারখানায় রপ্তানি আদেশ প্রদানে অনাগ্রহ।
১. রপ্তানিমুখী দেশীয় বন্ডখাতে শুদ্ধ বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাক এর পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা ১.৫০ শতাংশ করা।
২. ইউরো অঞ্চলে বস্ত্রখাতের রপ্তানিকারকদের জন্য বিদ্যমান ১.৫০ শতাংশের অতিরিক বিশেষ সহায়তা ০.৫০ শতাংশ।
৩. রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতের (নীট, ওভেন ও সোয়েটার) অন্তর্ভুক্ত সব ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত সুবিধা ৩.০০ শতাংশ।
৪. তৈরি পোশাক খাতে বিশেষ নগদ সহায়তা ০.৩০ শতাংশ।