স্কুলে সাধারণ নভেম্বরে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় ডিসেম্বরে। আর নতুন শিক্ষাবর্ষ আরম্ভ হয় জানুয়ারিতে। কিন্তু পাঠ্যবই ছাপা ও বিতরণে মার্চ পর্যন্ত সময় লেগে যায়। এই প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে এবার ডিসেম্বরে বার্ষিক পরীক্ষার পরপরই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, ডিসেম্বরে চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের হাতে সরকার নতুন বই তুলে দিতে চায়। সেজন্য নভেম্বর মাসের মধ্যেই বই ছাপা ও বিতরণের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি রাখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশনা দিয়েছেন। এক্ষেত্রে কোনো অজুহাত চলবে না।
সোমবার (৬ জুলাই) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাঠ্যপুস্তক প্রকাশ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা-সংক্রান্ত সভা শেষে গণমাধ্যমকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীরা নতুন বই নিয়ে যাতে শ্রেণিকক্ষে বসতে পারে, সেই বিষয়ে সভা হয়েছে। সেটা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।
ছাপাখানা মালিকদের সিন্ডিকেট প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে এহছানুল হক মিলন বলেন, ছাপাখানার চ্যালেঞ্জ ইস্যুতে প্রস্তুত আছে সরকার। এখন টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান। দ্রুত বই ছাপানোর কাজ শুরু করতে আগস্টের শুরুতেই কার্যাদেশ দেওয়া হবে।
পাঠ্যক্রমে কিছুটা পরিমার্জন আসছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এবার আলাদা আলাদা শ্রেণিতে চারটি বই নতুন আসছে। তৃতীয় ভাষা শিক্ষা নিয়েও আমরা কাজ করছি। কিন্তু শিক্ষক নিয়োগ চ্যালেঞ্জিং। সেজন্য আগামী বছর থেকে এ নিয়োগের কাজ শুরু হবে।’