নোয়াখালীতে বিএনপির ডাকা প্রতিবাদ সভার মঞ্চে ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলা

0

নোয়াখালীর চাটখিলে বিএনপির ডাকা প্রতিবাদ সভার জন্য বানানো মঞ্চ, চেয়ার ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চাটখিল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু হানিফ ও সদস্য সচিব শাহজাহান রানাসহ ৩০জন নেতাকর্মি আহত হয় বলে দাবি করছে বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার (২৬ আগস্ট) দুপুর পৌনে ২টার দিকে চাটখিল পৌরসভার চাটখিল আলিয়া মাদরাসা প্রাঙ্গণে মঞ্চ ভাংচুরের এ ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডাকা প্রতিবাদ সভা পণ্ড হয়ে যায়। তবে সরকারি দলের নেতাকর্মিদের তাণ্ডব উপেক্ষা করে বিএনপির কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের নেতৃত্বে চাটখিল বাজারের পূর্ব পাশে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

চাটখিল উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহজাহান রানা বলেন, শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। জুমআর নামাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আসম্মিক উপজেলা ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতাকর্মিরা উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের মদদে আমাদের প্রতিবাদ সভার মঞ্চ ভেঙ্গে তছনছ করে দেয়। তখন আমরা নামাজে ছিলাম। বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী সেখানে ছিলেন না।

তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মিরা আগ্নেয়াস্ত্র হাতে মঞ্চ ভাংচুর ও বিএনপির নেতাকর্মির ওপর হামলা চালায়। বিভিন্ন ইউনিয়নের সরকারি দলের নেতাকর্মিরা আমাদের এ প্রতিবাদ সমাবেশকে বানচাল করতে ওপেন অস্ত্র হাতে মোটরসাইকেল নিয়ে মহড়া দেয়। চাটখিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ন কবিরের সামনে আমাদের নেতাকর্মিদের ওপর হামলা চালানো হয়। ওই সময় পুলিশ কোন ভূমিকা রাখেনি।

কেন্দ্রীয় বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, জ্বালানি তেল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে চাটখিল পৌরসভার এলাকার আলিয়া মাদরাসার সামনে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। বিকেলের এ সভার জন্য সকাল থেকে প্যান্ডেল ও মঞ্চ বানানো হয়। জুম্মার নামাজের শেষ হওয়ার সাথে সাথে হঠাৎ অস্ত্রধারী উপজেলা ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মি এসে হামলা চালিয়ে মঞ্চ, চেয়ার ও ভাঙচুর করেন। এ সময় পুলিশ নিরব ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। প্রতিবাদ সভায় আসার পথে বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে আমাদের ৩০জন নেতাকর্মিকে আহত করা হয়। ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মিরা প্রতিবাদ সভাস্থল ঘিরে রাখায় আমরা প্রতিবাদ সভা করতে পারিনি।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com