করোনার স্থায়ী ‘সমাধান’ শুধু টিকাতেই: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

0

বাংলাদেশে বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী ১১ জুলাই, ২০২১ ২৪ ঘণ্টায় দেশে২৩০ জনের মৃত্যু আক্রান্ত ১১ হাজার ৮৭৪ জন। তাদের মতে যেভাবে নতুন রোগী বৃদ্ধি পাচ্ছে ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী সাত দিন পর হাসপাতালে শয্যা খালি পাওয়া যাবে না। পরিস্থিতি নিঃসন্দেহে ভয়াবহ এবং চরম উদ্বেগের। সরকার সংক্রমণের ব্যাপকতা উপলব্ধি করে জুলাই থেকে দুই সপ্তাহের জন্য কঠোর লকডাউন পালন করেছে। কিন্তু গণমাধ্যম থেকে জানা যাচ্ছে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার আন্তরিক চেষ্টার পরও কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে বেগ পেতে হয়েছে।

প্রতিদিনই শত শত যানবাহনকে জরিমানা এবং শত শত মানুষকে গ্রেফতারের খবর প্রকাশিত হয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও মানুষকে ঘরে আবদ্ধ করে রাখা যায়নি। বিগত দিনে বিভিন্ন সময়ে ঢিলেঢালা লকডাউনে জনমনে আস্থার অভাব সৃষ্টি হয়েছে।ফলে বর্তমান কঠোর লকডাউনও জনগণ গুরুত্বসহকারে মানছে না। ছাড়া নিম্নবিত্ত, দরিদ্র দিনে এনে দিনে খাওয়ামানুষজীবিকার তাগিদে ঘর থেকে বের হতে বাধ্য হচ্ছে। এমনি প্রেক্ষাপটে জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতর করোনার ভয়াবহতা ঠেকাতে বিধিনিষেধ আন্তরিক কঠোরভাবে পালনের আকুল আবেদন জানিয়ে ১০টির বেশি জাতীয় দৈনিকে বিশালাকারে বিজ্ঞাপনপ্রকাশ করেছে।

করোনা মহামারী মোকাবিলায় বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চরম ব্যর্থতা, অযোগ্যতা, সমন্বয়হীনতা এবং দুর্নীতি নিয়েদেশেবিদেশে সময় মানুষ সমালোচনা মুখর। বিশেষ করে টিকা সংগ্রহ টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে সরকারের যখন লেজেগোবরে অবস্থা তখন স্বাস্থ্য অধিদফতরের এমন একটি বিজ্ঞাপন সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। জুলাই স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য সেক্টরের হযবরল পরিস্থিতি সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলন ডেকে তা শেষ মুহূর্তে বাতিল করে দিয়েছেন। তার বিপরীতে স্বাস্থ্য অধিদফতরেরআকুলআহ্বানেকরোনা মোকাবিলায় জনগণের করণীয়, সরকারি বিধিনিষেধ, কঠোর লকডাউনের যথার্থতা ইত্যাদি বিষয়ে জরুরি নির্দেশনা থাকবে বলে মানুষ আশা করেছিল। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, এসব জরুরি বিষয় তুলে না ধরে জনগণের টাকা খরচকরে বিজ্ঞাপন ছাপিয়ে তারা নিজেদের সাফাই গেয়েছেন।

স্বাস্থ্য সেক্টরে সংঘটিত অমার্জনীয় দুর্নীতি অব্যবস্থা পুরনো বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। করোনা আক্রান্তদের মাথাপিছু খরচ, স্বাস্থ্যসেবা খাতে খরচের হিসাব, টিকার মূল্যসহ অসংগতিতে ভরা তথ্য প্রকাশ করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াস চালানো হয়েছে। অন্যান্য বিষয়ের পর্যালোচনায় না গিয়ে এখানে শুধু করোনা পরিস্থিতি স্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণে অপরিহার্য টিকা নিয়ে সরকার এবং স্বাস্থ্য সেক্টরের লুকোচুরি জনগণকে বিভ্রান্ত করার বিষয়ে আলোচনা হবে। উল্লিখিতআকুল আবেদনেরবিজ্ঞাপনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গৃহীত পদক্ষেপের মধ্যে প্রথমেই দাবি করা হয়েছেসরকার/স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পর্যন্ত কোটি লাখ ৫০ হাজার ডোজ টিকা কিনেছে। টিকা কেনা মূল্য সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেওয়া এবং সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের সঙ্গে বিজ্ঞাপনে বর্ণিত তথ্যের ব্যাপক অসংগতি রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য মোতাবেক বাংলাদেশ পর্যন্ত ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কিনেছে ৭০ লাখ ডোজ, চীনের সিনোফার্ম থেকে ২০লাখ, মডার্না থেকে ২৫ লাখ (কোভ্যাক্স প্ল্যাটফরম থেকে প্রাপ্ত) এবং ফাইজার থেকে লাখ ৬২০ ডোজ (কোভ্যাক্স)

বাংলাদেশ পর্যন্ত কিনেছে কোটি ১৬ লাখ ৬২০ ডোজ টিকা, যা বিজ্ঞাপনে প্রদত্ত হিসাবের সঙ্গে মেলে না। বিজ্ঞাপনে প্রতিডোজ টিকার মূল্য দেখানো হয়েছে হাজার টাকা এবং টিকা কেনায় মোট হাজার ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ের দাবি করা হয়েছে।ডলারের (প্রতি ডলারে ৮৫ টাকা) হিসাবে প্রতি ডোজ টিকার মূল্য দাঁড়ায় ৩৫.২৯ ডলার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বেক্সিমকোরপ্রকাশিত তথ্যানুযায়ী অ্যাট্রাজেনেকার টিকা ডোজপ্রতি ডলারে Bangladesh Pratidinকেনা হয়েছে, যা টাকার অঙ্কে ৪২৫। ৭০লাখ অ্যাস্ট্রাজেনেকার মূল্য দিতে হয়েছে মোট কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা টাকার অঙ্কে দাঁড়ায় ২৯৭ কোটি ৫০ লাখ। বিজ্ঞাপনেদেওয়া হিসাব মোতাবেক অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা বাদ দিলে আরও ৩১ লাখ ৫০ হাজার টিকা কেনা হয়েছে। তাহলে হিসাব করলেদেখা যায় ৩১ লাখ ৫০ হাজার টিকা কিনতে সরকার ব্যয় করেছে অবশিষ্ট হাজার ৭৪৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তাতে প্রতিডোজের মূল্য দাঁড়ায় হাজার ৭২২ টাকা যা মার্কিন ডলারে ১০২। হিসাবটি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমেও প্রকাশ পেয়েছে।

টিকা কেনার হিসাবে এত বড় পার্থক্য বা গরমিল! সরকার কীভাবে ব্যাখ্যা দেবে? কিন্তু তা নিয়ে সব মহলে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। হিসাব যদি ভুল হয় তাহলে সঠিক কী হবে তা জনগণকে জানানো অতীব জরুরি। সরকার অ্যাস্ট্রাজেনেকা ছাড়া চীন থেকে সিনোফার্মের টিকা কেনার জন্য চুক্তি করেছে। চুক্তি শেষে জনৈক মন্ত্রী এবং সরকারি কর্মকর্তা সিনোফার্মের টিকা প্রতি ডোজ ১০ডলারে কেনা হবে বলে জানিয়েছেন। পরে অবশ্য তথ্যকে অস্বীকার করা হয়। চীনের টিকা কত মূল্যে কেনা হয়েছে তা গোপন করা হয়। গোপন তথ্য উদ্ঘাটন করতে গিয়ে সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। চীনের টিকার মূল্য কী হতে পারে তা ধারণা করা অসম্ভব কিছু নয়।

২০২১ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেইউনিসেফবিভিন্ন দেশ পাঁচ ধরনের টিকা কত দামে কিনেছে তার একটি চার্ট প্রকাশকরে। এতে দেখা যায়, ব্রাজিল চীনের টিকা কিনেছিল প্রতি ডোজ ১০.৩০ ডলারে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশে চীনের টিকার মূল্য ১০ডলার হওয়াই স্বাভাবিক। ছাড়া বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় এবং সাশ্রয়ী মূল্যেকোভ্যাক্স প্ল্যাটফরমথেকে মডার্নার ২৫ লাখ ফাইজারের লাখ ৬২০ ডোজ টিকা সংগ্রহ করেছে। টিকা আন্তর্জাতিক সহায়তায় তৈরি করা হয়েছে স্বল্পোন্নত দেশে সাশ্রয়ী মূল্যে দেওয়ার জন্য। তাই বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায়কোভ্যাক্স প্ল্যাটফরমথেকে প্রাপ্ত টিকার মূল্য থেকে ডলারের বেশি হবে না। অবস্থায় উল্লিখিত তথ্যে দেখা যায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত বিজ্ঞাপনে টিকা কেনার সংখ্যা, প্রতি ডোজ টিকার মূল্য ( হাজার টাকা) এবং পর্যন্ত টিকা কেনায় সরকারের ব্যয়ের যে হিসাব দেওয়া হয়েছে তা প্রকৃতমূল্যের সঙ্গে আকাশপাতাল ফারাক অবিশ্বাস্য। জনগণের অর্থ খরচ করে দেওয়া বিজ্ঞাপনে বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে অগ্রাধিকারটিকা সংগ্রহ টিকাদান কর্মসূচিসম্পর্কে কোনো তথ্য বা পরিকল্পনা দেওয়া হয়নি।

পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো ইতিমধ্যে তাদের জনসংখ্যার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশকে দুটি ডোজ টিকা দিতে সমর্থ হয়েছে। ফলে সেসব দেশে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন মহল যে কোনো দেশে করোনা সংক্রমণকেস্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে দ্রুত ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকাদানের ওপর জোর দিয়ে আসছে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের টিকা কূটনীতিতে ব্যর্থতা, টিকা কেনায় স্বেচ্ছাচারিতা, একটি অতিপরিচিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে লাভবান করা এবংএকটি দেশকে খুশি করতে গিয়ে অতি প্রয়োজনীয় চাহিদা মোতাবেক টিকা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। ফলে জুনের মধ্যে (দীর্ঘ ছয়মাসে) দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন মাত্র ৪২ লাখ ৮১ হাজার ৭৭৬ ব্যক্তি। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট টিকা সরবরাহ বন্ধ করেদেওয়ায় অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন ১৪ লাখ ৪০ হাজার মানুষ। সিনোফার্মের ২০ লাখ মডার্নার ২৫ লাখ ডোজ টিকা হাতে নিয়ে জুলাই, ২০২১ শুরু হয়েছে তথাকথিতগণটিকাকর্মসূচি। ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিবন্ধনের নামে চলছে নানা টালবাহানা। গতিতে টিকা সংগ্রহ টিকাদান কর্মসূচি চললে বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণেরস্থায়ী প্রতিরোধ হবে সুদূরপরাহত। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে সরকার চার ধাপে পাঁচ পর্যায়ে মোট ১৩ কোটি ৮২ লাখ ৪২ হাজার৫০৮ জনকে টিকাদানের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল। প্রথম ধাপের দ্বিতীয় পর্যায়ে মোট কোটি ৭২ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও বিগত ছয় মাসে দুই ডোজ পেয়েছেন মাত্র ৪২ লাখ ৮১ হাজার ৭৭৬ ব্যক্তি। সরকারের প্রদত্ত পরিকল্পনায় কোনো সময় নির্ধারণ করা হয়নি।

সরকারের হিসাবেই তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রায় ২৮ কোটি ডোজ টিকার প্রয়োজন হবে। অনুদানসহ সরকারের কেনার মাধ্যমে বিগত ছয় মাসে দেশে এসেছে মাত্র কোটি ৫৯ লাখ টিকা। বাজেট অধিবেশনের সমাপ্তি দিবসে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যত টিকা লাগে কেনা হবে। বিশ্বের যেখানে টিকা পাওয়া যাচ্ছে সরকার তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। অর্থাৎ কোথা থেকে কেনাহবে, কবে নাগাদ কেনা হবে তার কোনো ইংগিত তিনি দিতে পারেননি। অন্যদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছুদিন আগে টিকা সংগ্রহের বিষয়ে কূটনৈতিক ব্যর্থতা স্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘বড় বড় পন্ডিত টিকার বিষয়ে কত কী বলছেন। আদতে তারামুলা দেখাচ্ছে।

বাংলাদেশের বর্তমান ভয়াবহ পরিস্থিতিতে টিকা প্রাপ্তির বিষয়ে অনিশ্চয়তা জনগণকে উদ্বিগ্ন হতাশ করেছে। টিকা প্রাপ্তির বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে পর্যন্ত যে পরিমাণ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে তাদের বাদে আরও কমপক্ষে ২৬ কোটি ডোজটিকা দিতে হবে। গড়ে প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ দিতে পারলেও ৫২ মাস অর্থাৎ চার বছর চার মাস লাগবে। গড়ে মাসে কোটি ডোজ দেওয়া সম্ভব হলেও দেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে ২৬ মাস অর্থাৎ দুই বছর দুই মাস লাগবে। অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহল করোনা সংক্রমণকে স্থায়ীভাবে প্রতিহত করতে হলে দেশের জনসংখ্যার কমপক্ষে ৭০শতাংশকে ছয় মাসের মধ্যে টিকা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। অন্যথায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রথম দিকে যারা টিকা নিয়েছেন তাদের কার্যকারিতা হারিয়ে যাবে এবং পুনরায় সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়বেন। অর্থাৎ এমন পরিস্থিতিতে সংক্রমণের চেন ভাঙা এবং স্থায়ীভাবে সংক্রমণ প্রতিরোধ করাও সম্ভব হবে না।

অবস্থায় সরকারকে অনতিবিলম্বে টিকা কেনার সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। একসঙ্গে কোটি কোটি টিকা কেনার জন্য বাজেটে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়নি। তাই প্রয়োজনে বিভিন্ন প্রজেক্ট (বিশেষ করে মেগা প্রজেক্ট) থেকে অর্থ প্রত্যাহার করে টিকা কেনায় ব্যয় করতে হবে। দেশে করোনা টিকা উৎপাদনের বিষয়ে গভীরভাবে মনোযোগ দিতে হবে। করোনা স্থায়ীভাবে প্রতিরোধ করতে হলে টিকার কোনো বিকল্প নেই, তা সরকারকে উপলব্ধি করতে হবে। দীর্ঘদিন লকডাউন বা কঠোর লকডাউন করেসংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হলে দেশের অর্থনীতি হুমকির সম্মুখীন হবে এবং খেটে খাওয়া দরিদ্র ছিন্নমূল মানুষ না খেয়ে মারাযাবে। অতএব টিকা সংগ্রহ টিকাদান কর্মসূচিকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায়জনগণের জীবনজীবিকা বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেওয়ার জন্য সরকারকেই দায় নিতে হবে।

লেখক: সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সদস্য, জাতীয় স্থায়ী কমিটি বিএনপি এবং সাবেক অধ্যাপক চেয়ারম্যান ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.