পিআর পদ্ধতি সম্পর্কে বাংলাদেশের ভোটাররা কিছুই জানেন না: আযম খান
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকটে আহমেদ আযম খান বলেছেন, দুই-একটা রাজনৈতিক দল চেষ্টা করছে এই ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নির্বাচন যাতে না হতে পারে। যাদের ভোটের মাঠে ভোট নেই। কিন্তু মনে রাখতে হবে- যার ভোটের মাঠে ভোট নেই, দশ বছর পরে নির্বাচন করলেও তার ভোটের মাঠে ভোট হবে না। কিন্তু নির্বাচন দেরি হলে লাভবান কিছুটা হতে পারে, ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশ। ব্যক্তির চেয়ে দল বড়। জিয়াউর রহমান বলেছেন- দলের চেয়ে দেশ বড়। যারা ব্যক্তি স্বার্থে ও দলের স্বার্থে কথা বলছেন তারা দেশের কথা ভাবছেন না।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের বাসাইলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে বিজয় র্যালি ও সমাবেশে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
আহমেদ আযম খান বলেন, এক বছরে নির্বাচিত সরকার না আসার কারণে এখনো বিনিয়োগ ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা স্থবির হয়ে আছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল ও বিদেশিরা তারা কিন্তু অনিশ্চিয়তায় মধ্যে আছে। তাই আমি বলব- অনিশ্চয়তা কাটাতে বাংলাদেশে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগের জন্য, অর্থনীতিকে চাঙা করার জন্য অবশ্যই দ্রুত নির্বাচন দরকার।
তিনি বলেন, আমাদের যে ঐতিহাসিক লন্ডন বৈঠক। যেখানে আমাদের প্রিয় নেতা দেশ নায়ক তারেক রহমানের সাথে আমাদের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠক। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নির্বাচন। বিষয়টাকে সরকার গুরুত্ব দেবেন। আমরা প্রস্তুত হয়ে আছি ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি আমরা নির্বাচনে যাব।
আহমেদ আযম খান বলেন, রাজনৈতিক দুই একটি দল পিআর পদ্ধতির কথা বলছে। এখনো পিআর পদ্ধতি সম্পর্কে বাংলাদেশের ভোটাররা কিছুই জানেন না। রাজনৈতিক দলগুলোও অনেকটা অবহিত নয়। এই অবস্থায় যারা পিআর পদ্ধতির কথা বলছেন। আমাদের পাশের দেশ ভারত, পাকিস্তানে এখানেও পিআর পদ্ধতি নেই। যে দেশগুলোতে পিআর পদ্ধতি আছে, সেই পিআর পদ্ধতি আমাদের বুঝতে ও জানতে হবে। কত শতাংশ ভোট পেলে পিআর পদ্ধতির আওতায় আসবে সেটা তো আগে জানতে ও বুঝতে হবে। জনগণকে পিআর পদ্ধতি বুঝতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি যেভাবে আগের নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী করেছি সেভাবেই হবে। এখানে ঐকমত্য কমিশনেও কিন্তু আমাদের সংসদ নির্বাচনে পিআর পদ্ধতির বিষয়ে সম্পূর্ণ ঐকমত্য, এখানে পিআর পদ্ধতি হবে না। দুই একটি রাজনৈতিক দল উচ্চ কক্ষে পিআর পদ্ধতির কথা বলেছে। সেখানেও পিআর পদ্ধতির অজ্ঞতার জটিলতা, না জানার ও বুঝার জটিলতার জন্য আমরা সেখানেও স্পষ্ট বলছি এই নির্বাচনে নিম্ন ও উচ্চ কক্ষ কোথায় পিআর পদ্ধতি অত্যন্ত এই নির্বাচনে প্রয়োগ করা সম্ভব নয়। সেখানে ভবিষ্যতে যদি পিআর পদ্ধতির প্রয়োজন হয়, আগে জনগণকে অবহিত করে তারপরে।