গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে সফল হতে পারবে না, জয় হবে জনগণের, জয় হবে গণতন্ত্রের: জাহিদ
গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে সফল হতে পারবে না, জয় হবে জনগণের, জয় হবে গণতন্ত্রের জানিয়ে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের (বিএসপিপি) আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ষড়যন্ত্র না থাকলে গোপালগঞ্জে এমন ঘটনা ঘটতে পারে না। ফরিদপুর, রাজবাড়ি, নড়াইল, ঝালকাঠিসহ সারা দেশ ঘুরে বেড়াচ্ছি—কোথাও কিছু হচ্ছে না, শুধু ওখানেই (গোপালগঞ্জ) কেন? স্বৈরাচারের দোসরদের দায়ী করা ঠিক আছে, কিন্তু আমাদের ভেতরেও কিছু ষড়যন্ত্রকারী রয়েছে, যারা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চায়। তারা এখনো ঘাপটি মেরে বসে আছে। তাদের মুখোশ উন্মোচন করাও আমাদের দায়িত্ব।
তিনি বলেন, মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যার পর বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও তুলেছে। তারপরও নেতাকর্মীদের, এমনকি তারেক রহমানের সঙ্গেও এই ঘটনার ট্যাগিং করা হচ্ছে। কেন এই আগুন নিয়ে খেলা করছেন? কেন অন্যের ক্রীড়ানক হয়ে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ধ্বংস করার চেষ্টা করছেন?
শুক্রবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনষ্টের পাঁয়তারার’ প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতি করতে হলে মাঠে আসুন। আপনাদের কি কর্মসূচি আছে সেটি নিয়ে আসুন। কর্মসূচির খবর নাই, কথায় কথায় বলবেন স্থানীয় সরকার, জাতীয় সরকার চাই। গণতন্ত্রের লড়াই জাতীয় নির্বাচনের জন্য। স্থানীয় নির্বাচনের জন্য গণতন্ত্রের লড়াই হয় না।
এজেডএম জাহিদ আরও বলেন, আপনারা বিবাদ ও দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করতে চান। তার অর্থ হলো-আপনারা গণতন্ত্রকে বিলম্বিত করতে চান। গণতন্ত্র যদি জাতির কাছে ফিরে না আসে, তাহলে হয়তো আপনাদের অন্য কোনো সুবিধা আছে। জনতাকে ক্ষমতাহীন করে যদি দীর্ঘদিন রাখা হয়, তাহলে ক্ষমতাহীন জনগণ এক সময় প্রতিবাদ জানাবে। তখন আপনারা সেই আগুনে পুড়ে ছারখার হয়ে যাবেন।
ঐক্যবদ্ধভাবে যেভাবে আমরা স্বৈরাচারকে রুখেছি, একই ঐক্য বজায় রেখে গণতন্ত্রের পূর্ণ প্রতিষ্ঠার লড়াই আমরা চালিয়ে যাব। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস বলেছেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। আমরা আপনার কথার ওপর বিশ্বাস রাখতে চাই।
সে অনুযায়ী আপনি এগিয়ে যাবেন। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ আপনার সঙ্গে আছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ষড়যন্ত্রকারীরা কোনো অবস্থাতেই বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে, জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে এবং শহীদদের রক্তের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে সফল হতে পারবে না। জয় হবে জনগণের। জয় হবে গণতন্ত্রের।
এ সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ।