নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে অন্য কোনো পন্থা গ্রহণযোগ্য নয়: ড. মঈন খান

0

নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে অন্য কোনো পন্থা গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।

মঈন খান বলেন, আমরা স্পষ্টভাষায় একটি কথা বলে দিতে চাই যে, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। গণতন্ত্রে যে উত্তরণ, সেই উত্তরণের একটি মাত্র প্রক্রিয়া আছে। সেই প্রক্রিয়াটি কী? সেই প্রক্রিয়ার নাম হচ্ছে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন নিরপেক্ষ নির্বাচন। এর বাইরে আর কোনো পন্থা বাংলাদেশে কেনো সারা বিশ্ব বা অন্য কোথাও জানা নেই। আর যদি কেউ বলে, তারা গণতন্ত্র বিশ্বাস করে না, অন্য কোনো পন্থায় তারা এদেশকে পরিচালনা করতে চায় তাহলে আমাদের পথ আলাদা, তাদের পথ আলাদা। এটা স্পষ্ট করতে হবে, গণতন্ত্রের মুখোশ পরে কেউ যদি এদেশে স্বৈরতন্ত্র করতে চায়, সেটা বিএনপি হতে দেবে না।

বুধবার (১৬ জুলাই)জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে ক্রমাগত ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কয়েকটি দলের কটুক্তিমূলক বক্তব্য প্রদানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, এদেশে গত কয়েকদিনের যে বিভিন্ন ঘটনা হচ্ছে, সেই ঘটনার মূল্যে কোনো রহস্য রয়েছে- সেই রহস্য আজকে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষকে উন্মোচিত করতে হবে। আমরা শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাসী, আমরা নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী, আমরা সুষ্ঠু রাজনীতিতে বিশ্বাসী। বাংলাদেশের সমাজ এবং সংস্কৃতিতে যে সব কথা, বাক্য, কটুবাক্য সেগুলো দেশের মানুষ চিরদিন প্রত্যাখান করে এসেছে। যেসব কথা-বার্তা-ভাষা আজকে দেশে যারা প্রকাশ্যে নিয়ে আসে তারা বাংলাদেশকে ভালবাসে না। তারা বাংলাদেশের সমাজকে ধবংস করতে চায়, তারা বাংলাদেশের যে কৃষ্টি সেটাকে ধবংস করতে চায়।

মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে ড. মঈন বলেন, আমরা এদেশে বড় হয়েছি। আপনারা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, আপনারা দেখেছেন যে, বাংলাদেশের প্রকাশ্যে এই ধরনের শব্দ, ভাষা, কটুবাক্য এগুলো কখনো কেউ প্রকাশ্যে এভাবে বলেনি। আপনাদের দীর্ঘজীবন ৬০/৭০/৮০ বছর হয়েছে তারা বলুন? উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাংলাদেশের যে ইমেজ, সেই ইমেজকে ধ্বংস করার জন্য যে কর্মকাণ্ড বিগত কয়েকদিন ধরে দেখছি, সেটা কেনো হচ্ছে- তার বিশ্লেষণ করতে হবে, এজন্য কারা দায়ী তাদের চিহ্নিত করতে হবে।

তিনি বলেন, আমি বলি না যে, তাদের শাস্তি দেবো, শাস্তি দেয়ার অধিকার আমাদের নেই। কিন্তু আমি একথা বলব, আপনারা যে অন্যায় হচ্ছে, তার প্রতিবাদ করুন শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ায়৷ আপনাদের যার যার যা করণীয় আছে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আপনারা সেটা করুন।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.