স্বৈরাচার হাসিনাকে বিচারের আওতায় আনতেই হবে, ছেড়ে দেওয়া যাবে না: তারেক রহমান
সংস্কারের নামে ষড়যন্ত্র হচ্ছে কিনা, নজর রাখতে বলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আওয়ামী লীগের সভাপতি স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। কোনোভাবেই তাকে ছেড়ে দেওয়া যাবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, হাজার-লক্ষ মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে। তারা পালাতে বাধ্য হয়েছে। যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটে গেছে, অবশ্যই সেগুলোর বিচার করতে হবে। যদি বিচার না হয়, তাহলে খুন ও গুমকারীরা আরও উৎসাহ পাবে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে বিচারের আওতায় আনতেই হবে। তাকে কোনোভাবে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। এই প্রশ্নে সবাইকে এক হতে হবে।
গতকাল বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি সোনাগাজী সাবের পাইলট হাইস্কুলে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে প্রত্যাশা করে, যেখানে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, গণতন্ত্র থাকবে, স্বচ্ছতা থাকবে। এমন একটি দেশ গড়তে কাজ করতে হবে। শহীদদের আত্মার মর্যাদা দিতে হলে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
এ সময় দেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে বিএনপির ৩১ দফার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
তারেক রহমান আরও বলেন, রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের জন্য বিএনপি আড়াই বছর আগেই সংস্কারের কথা বলেছে। কারণ, বিএনপি বিশ্বাস করতো স্বৈরাচারের বিদায় হবেই। খেয়াল করছি, কিছু মানুষ সংস্কারের কথা বলে নির্বাচনকে দীর্ঘায়িত করছে। আমাদের দেখতে হবে, এই সংস্কার সংস্কার বলা কোনো ষড়যন্ত্র কিনা।
তিনি আরও বলেন, যেদিন দেশের মানুষের রাজনৈতিক ফিরিয়ে দিতে পারব, ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে পারব, এবং জনগণের সরকার উপহার দিতে না পারব- ততদিন আন্দোলন ও সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
কিছু মানুষ বিএনপিতে ঢুকে বিভ্রান্তি ছড়াতে চাইছে, এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের নানা নির্দেশনা দেন।