জনগণকে পরাজিত করে জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে আওয়ামী লাঠিয়াল বাহিনী: টুকু

0

অন্যান্য বিরোধী দলও নির্বাচনে যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

আজ বুধবার দুপুরে চাঁদপুর জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে রাজধানীর শেরেবাংলানগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

টুকু বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব অনেক কথাই বলেন। উনি তো বিএনপি করেন না, বিএনপি আমরা করি। এবার এদের আন্ডারে আমরা নির্বাচন করবো না। অস্তিত্ব রক্ষার কথা বলেছেন, বাংলাদেশে সব থেকে বড় দল বিএনপি। দেখা যাবে দেশে সব চেয়ে বেশি মানুষ বিএনপিপন্থী। আমাদের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন নেই, প্রশ্ন তাদের আছে। তাদের তো দল নেই। তাদের আছে পুলিশ আর লাঠিয়াল বাহিনী। আমাদের দল আছে।

গত নির্বাচনে বিএনপি নিরপেক্ষ সরকারের দাবি তুললেও পরবর্তীতে সংলাপ ও নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। এবারও সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা সব ট্রাস্ট নষ্ট করেছে। জনগণের ট্রাস্ট তারা নষ্ট করেছে। তারা জনগণকে পরাজিত করেছে। জনগণকে পরাজিত করে জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে। এবার নির্বাচন তখনই হবে যখন জনগণ জয়লাভ করবে। সেই নির্বাচনে আমরা যাব।

গতবার আমরা একটা জোট করেছিলাম। জোট সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচনে যাওয়া হবে। সে নির্বাচন তো আমরা দেখেছি। দিনের ভোট রাতে করেছে। এবার ইভিএম দেবে। সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন দেবে, রুলিং পার্টি দেবে না! শুধু আমরা না, অন্যান্য যারা বিরোধী দল আছে তারাও একমত হয়েছে, এই সরকারের অধীনে তারা নির্বাচনে যাবে না। আন্দোলন করেই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেই গণতন্ত্রের জন্য আবার আন্দোলন করবো। আমরা আন্দোলন করে দাবি আদায় করবো। আমরা না গেলে নির্বাচন কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, আন্তর্জাতিকভাবে কাদের স্বীকৃতি পাবে ওরাও জানে-আমরাও জানি—বলেন টুকু।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গতবার দিনের ভোট রাতে করেছে। এবার যাতে রাতে করতে না হয় ইসি কার্যালয়ে বসে প্রোগ্রাম নিজেদের মতো করে ৯০ শতাংশ ভোট কাস্ট দেখিয়ে ৮০ শতাংশ তারা নেবে সেই ষড়যন্ত্র আমরাও বুঝি, দেশের মানুষও বোঝে। একেবারে নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বাংলাদেশে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.